দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ফলে খুচরায় সরবরাহ বাড়ায় হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা।
হিলির খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দুদিন আগে এ অঞ্চলে ভারত থেকে আমদানীকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ৮০ টাকা। গতকাল তা কমে কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকায় নেমে এসেছে।
গতকাল হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইন্দোর ও বেলোরি জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। বন্দরে কেজিপ্রতি ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ৬৮-৭০ টাকা ও সাউথের বেলোরি জাতের পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একদিন আগেও বন্দরে একই দামে পেঁয়াজ বেচাকেনা হয়েছে।
এর আগে স্লট বরাদ্দ নিয়ে ঝামেলার কারণে সোম ও মঙ্গলবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। তবে বুধবার তা আবার শুরু হয়।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ইউসুফ আলী জানান, বর্তমানে আমদানীকৃত পেঁয়াজ দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। তবে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় এর দাম এখনো কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। দেশে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার ও ভারতের বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ আসায় পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। কোনো ব্যবসায়ী অস্বাভাবিক লাভ করলে তাকে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’